Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Dairy

একজন ইঞ্জিনিয়ারের গল্প

ভাইভা বোর্ডে ৩ জন অফিসার বসে আছে। একটু পরেই ইন্টারভিউ শুরু হবে। দুই বছর প্রচেষ্টার পর এই ভাইভা বোর্ড পর্যন্ত আসতে সক্ষম হয়েছি। বোর্ডে আমার ডাক পরলো। -স্যার আসতে পারি? -হ...

ডায়েরি (পরিচ্ছেদ  - ১০)

আমি খুব আগ্রহ নিয়ে বাড়িটার নাম দেখতে যাই। কিন্তু যেই নামটা লেখাছিলো তা দেখে আমি পুরো আৎকে উঠলাম। এটা কি করে সম্ভব! এই বাড়িটাতে কখন মিশিরা থাকতো! এই বাড়িতেই কিভাবে এতো রহস্...

ডায়েরি (পরিচ্ছেদ - ১১)

রমিজ চাচা আমার কথা শুনে কিছুক্ষন চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছাদ থেকে সেই হরিনাথ বাংলোর দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো। এরপর আমার মুখের দিকে তাকিয়ে রমিজ চাচা বললো, -বাবু! সব রহস্যের স...

ডায়েরি (পরিচ্ছেদ - ১৫)

রমিজ চাচা আমাকে বাড়িতে একা রেখেই চলে গেলো পাশের গ্রামে সেই কবিরাজকে আনতে। আজ কেন জানি দিনের বেলাতেও একা বাড়িতে আমার ভয়টা আরো বেড়ে যাচ্ছে আমি অপেক্ষায় বসে ছিলাম যে কখন রমিজ চাচা আসবে। এরপর দেখতে দেখতে সকাল পেরিয়ে দুপুর, দুপুর পেরিয়ে বিকাল, বিকাল পেরিয়ে সন্ধ্যাঁ হয়ে গেলো। কিন্তু রমিজ চাচা এখনো বাড়িতে ফিরেনি। চাচার নাম্বারে কল দিলাম কয়েকবার কিন্তু তার নাম্বারটা বন্ধ আসছিলো। কিছুক্ষন পর হঠাৎ চারিদিকে প্রচুর ঝড় শুরু হয়ে যায়। প্রচুর বৃষ্টি সাথে বর্জপাত। পুরো এক ঘন্টা এমন চলার পরে বৃষ্টি থামে। কিন্তু এরপরেও রমিজ চাচা বাড়ি ফিরেনি। এরপর সাহস করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে রমিজ চাচাকে খুজতে রাস্তায় যাই। পুরো রাস্তা এবং পাশের গ্রামেও তাকে খুজলাম কিন্তু পেলাম না। রমিজ চাচা কোন কবিরাজের কাছে এসেছিলেন সেটা জানলেও হয়তো তার কাছে গিয়ে রমিজ চাচাকে খোজা যেতো। কিন্তু এটাও আমি জানতাম না একবার ভাবলাম হয়তো রমিজ চাচা এখন সেই হরিনাথ বাংলোতে আছে। পরে আবার মনে হলো যে রমিজ চাচাকে তো আমি এই বাংলো সম্পর্কে সব কথাই বলেছি। এত কিছু শুনেও এরপরে সে আর সেই বাংলোর দিকে পা বাড়াবে না। রমিজ চাচাকে খুজতে ব্যর্থ হয়েই বাড়ির পথে হাঁটা দি...