Skip to main content

Knit Fabric দেখে চেনার কিছু টিপস

যাদের Fabric এর ধারনা কম এই পোস্ট তাদের জন্য। খুব সংক্ষিপ্ত ভাবে নিজের মত করে বোঝানোর চেষ্টা করেছি।


(1) Single Jersey:
Fabric এর Top Side-এ চিকন চিকন দাগ থাকে এবং In Side- এ Net এর মত জালি থাকে। এই জাতীয় Fabric কে Single Jersey বলে। এই ফেব্রিক গুলি GSM রেঞ্জ ১০০-২০০।

(2)All Over Print:
যে Single Jersey Fabric এর Top Side- এ print থাকে তাকে All Over Print বলে। এই ফেব্রিক গুলির চাহিদা অনেক বেশি।

(3) Yarn Dyed:
যে Fabric এর Top & Bottom উভয় Side-এ একই ধরনের কালারের Stripe দেখা যায় তাকে Yarn Dyed Fabric বলে। ইয়ার্ন ডাইড ফেব্রিক সিংগেল জার্সি, রিব, ইন্টারলক এর ইয়ার্ন ডাইড ফেব্রিক করা সম্ভব।  একে আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং স্ট্রাইপ, ফিডার স্ট্রাইপ নামে চিনি এবং কিনি । 

(4) Grey Melange S/J:
Single Jersey যদি সাদা এবং Grey কালারের Mixed হয় তার নাম Grey Melange Single Jersey বলে। এটি দেখতে সাদাটে গ্রে কালার এর মতো।  এটা তিন প্রকার ১. এক্র মিলাঞ্জ ২. গ্রে মিলাঞ্জ ৩. এন্থ্রা মিলাঞ্জ ।  এটি মুলত কটন + ভিসকোস এর ব্লেন্ডেড কাপড়

(5) Terry Jersey:
Top side দেখতে Single Jersey এর মত কিন্তু In Side Towel বা Bandege এর মত। এই জাতীয় Fabric কে Terry Jersey Fabric বলে। এর একসাইড প্লেইন অন্য সাইডে লুপ যুক্ত। এটা সিংগেল জার্সির টাইপের কাপড়। 

(6) Fleece One Side Brush:
Top Side Plain Single Jersey এর মত কিন্তু In side Brush বা তুলাতুলা । এই জাতীয় Fabric কে Fleece One Side Brush Fabric বলে।  এটি ডাইং করার পর ব্রাশিং মেশিনে ব্রাশ করে নিতে হয়।

(7) Rib :
Top & Bottom উভয় Side-এ খাড়া লম্বা লম্বা দাগ থাকে এবং টানলে বাড়ে,  এই জাতীয় কাপড় গুলি খাজ কাটা থাজে ।  দেখতে বুকের খাজের মতো বিধায়  জাতীয় Fabric কে Rib Fabric বলে অর্থাৎ রিব মানে বুকের খাচা । Rib Fabric কয়েক প্রকারের হয়।
যেমন:- 1*1 Rib
2*2 Rib
3*3 Rib
4 *4 Rib

(8)Pique(PK)/Lacoust :
Top Side Dimond এর মত ভীট থাকে এবং In side Plain থাকে। ভীট ছোট হলে Single Lacoust এবং ভীট বড় হলে Doubble Lacoust বলে।

(9)Lycra Single Jersey :
যে S/J কে পার্শে  টানলে বাড়ে তার নাম Lycra Single Jersey বলে,  এতে লাইক্রা বা ইলাস্টেন ফাইবার ব্যাবহার করা হয় । এই কাপড় স্ট্রেস করলে আবার এটা কম্পেক্ট হয়ে যায়। আর এই কাপড় টানলে ভেতরে চকচকে রাবারের মতো ইলাস্টিক পাওয়া যাবে।

(10)Lycra Rib:
যে Rib Fabric উভয় দিকে টানলে বাড়ে তার নাম Lycra Rib , এর ইলাস্টিসিটি অনেক বেশি। । Lycra Rib কয়েক প্রকার হতে পারে। যেমন:
1*1 Lycra Rib
2*2 Lycra Rib
3*3 Lycra Rib
4*4 Lycra Rib

(11) Pollar Fleece:
যে Fabric এর Both Side এ Brush করা বা তুলাতুলা তার নাম Pollar Fleece বলে। এই কাপড় নীটিং করার সময় এর উভয় পাশে  লুপ থাকে এবং তা ব্রাশিং মেশিনে বোথ সাইড ব্রাশ করা হয়। এই কাপড় গুলি অনেক হায়ার GSM এর ৩০০-৬০০ GSM.

(12)Mesh Fabric:
মশারির মত বুনন বা ফাকা ফাকা মশারির মত ছিদ্র যুক্ত তাকে Mesh Fabric বলে। এই ফেব্রিক গুলি ওয়ার্প নীট মেশিনে প্রস্তুত করা হয়। 

(13)Interlock:
Top Side এবং In Side Single Jersey এর মত খাড়া খাড়া বা লম্বা লম্বা দাগ দেখা যায় কিন্তু টানলে খুব অল্প বাড়ে, Interlock এর উভয় পাশে দেখতে একই রকম । এই জাতীয় Fabric কে Interlock Fabric বলে। সিংগেল জার্সির চেয়ে GSM বেশি হয় এই কাপড় এর।

(14) Slub Fabric:
যে Fabric এর weath বরা বরা ছোটো ছোটো দাগ বা গিট থাকে তাকে Slub Fabric বলে। স্লাব গুলি মোডাল ফাইবার দিয়ে করা, আর স্লাব বোঝার উপায় হলো ডাইং করা স্লাব কাপড়ে ডাইজ ধরে না।  এই ফেব্রিক গুলির স্রিংকেজ স্পাইরিলিটি অনেক বেশি। 

(15) Burn out Fabric:
যে Fabric polyster এবং Cotton Yarn দিয়ে তৈরি করার পর AOP Factory তে রোটারি প্রিন্ট করে  মেশিনের  থেকে cotton অংশ কিউরিং পুরিয়ে দিয়ে এক ধরনের ডিজাইন তৈরি করা হয় ।  বার্ন আউট ফেব্রিক কে স্কাওয়ার ব্লিচ করে ডাইং করা যায়।  জাতীয় Fabric সাধারণত Ladies iteam তৈরি করা হয়।

(16) Knit Denim:
সিংগেল জার্সি ফেব্রিক এর মাখে নীট ক্যাম এবং টাক ক্যাম ব্যাবহার করে ফেব্রিক এর ফেইসে ব্লু এবং ব্যাকে গ্রে ইয়ার্ন দিয়ে টুইল এর একটি ডিজাইন করে ডেনিম ইফেক্ট আনা হয় একে নীট ডেনিম বলা হয়,  এটি এখন ওভেন ডেনিম এর বিকল্প হিসেবে ব্যাবহার করা হয়।

(17) CVC ফেব্রিক
ডাইং করার পরো সাদাটে থাকা কাপড় গুলি কে  CVC ( Cheaf Value of Cotton ) Fabric  বলে,  এই ফেব্রিক পলিকটন ব্লেন্ড সুতা দিয়ে প্রস্তুত করা।  এখানে কাপড় টির একটি পার্ট ডাইং করা 

কিছু তথ্যঃ

১. এখানে পরিস্টার পার্ট আগে ডাইং হয়

২. কটন পার্ট পরে ডাইং করা হয়

৩. এই ডাইং প্রসেস কে ডাবল পার্ট ডাইং বলে।

৪. এক পার্ট ডাইং হলে ইফেক্ট কে মিলাঞ্জ ইফেক্ট বলে। 

৫. এক এক টি ব্যাচ ডাইং করতে ১৮ ঘন্টা সময় লাগে।  

৬. পলিস্টার কাপড় ফিনিশ করতে টেম্পারেচার কমিয়ে ফিনিশ করতে হবে।

Comments

  1. Thanks for sharing this valuable information. This helps a lot to engineering students.

    ReplyDelete

Post a Comment

Popular Posts

টেক্সটাইল ডাইং কেমিক্যাল গুলির নাম এবং ব্যবহার

ডাইং ফিনিশিং এ ব্যবহৃত কেমিক্যালগুলোর নাম এবং ব্যবহার জেনে নিন : ১. সোডা  :  কালার ফিক্সং  করে কোভেলেন্ট বন্ড তৈরি করে। তাছাড়া PH কন্ট্রোল , ফেব্রিকের এবজরবেন্সি বাড়ানোর জন্য  ব্যবহার করা  হয়। ২. পার-অক্সাইড : ফেব্রিকের মধ্যে থাকা ন্যাচারাল গ্রে কালার রিমুভ করতে ব্যবহার করা হয়। ৩. স্টেবিলাইজার : পার-অক্সাডের রিয়েকশন স্টেবল করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যাবহার না করললে পার-অক্সাইড খুব দ্রুত ভেঙে পার-হাইড্রোক্সিল আয়ন গুলি শেষ করে ফেলবে, যা ব্লিচিং এর জন্য দায়ী। ৪. ডিটারজেন্ট :  ওয়েটিং অথবা ক্লিনিং এজেন্ট হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ৫. এন্টিক্রিজিং এজেন্ট:  নিটিং এর পর ও ওয়েট প্রসেসিং এর সময়  ফেব্রিকে ভাজ অথবা ক্রিজ পরে ফলে সেড আন-ইভেন আসতে পারে। ডাইং এর সময় তাই তা দূর করতে এক ধরনের ক্রিজ রিমুভার ব্যবহার করা হয় যেন ক্রিজ না পরে। এটি লুব্রিকেশন টাইপ এর কেমিক্যাল। ৬. সিকুস্টারিং এজেন্ট: পানির মধ্যে থাকা মেটাল আয়ন, হার্ডনেস রিমুভ করতে  ও পানিকে সফট করতে ব্যবহার করা হয়। ৭. ওয়েটিং এজেন্ট :  সারফেস টেনশন দূর করে ফেব্রিকের ভিজানোর ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি ওয়েটিং প্রপার

উপন্যাসের গঠন কৌশল

বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক E.M. Forster- এর মতে, কমপক্ষে ৫০ হাজার শব্দ দিয়ে উপন্যাস রচিত হওয়া উচিত। উপন্যাস সাহিত্যের এমন একটি মাধ্যম যেখানে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়ার অবকাশ থাকে। এখানে লেখক প্রাণখুলে তাঁর মতামত লিপিবদ্ধ করতে পারেন বা একেকটি চরিত্রকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন সকল ধরনের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে। উপন্যাসকে এক সুবিশাল ক্যানভাস হিসেবে ধরা যায়, লেখক তাঁর পরিকল্পনা মাফিক একেকটি অধ্যায়কে জায়গা করে দেন সেখানে। স্থান-কালের যথার্থ উল্লেখ, বাস্তবতার প্রতি তীক্ষ্ন দৃষ্টি রাখা, মানুষের হৃদয়ের গভীর তলদেশ স্পর্শ করার ক্ষমতা—ইত্যাদি দরকার একটি সার্থক উপন্যাসের জন্য। উপন্যাস বিশ্লেষকগণ একটি সার্থক উপন্যাসের গঠন কৌশল নিয়ে ছয়টি রীতির কথা বলেছেন। প্লট বা আখ্যান সম্পাদনাঃ উপন্যাসের ভিত্তি একটি দীর্ঘ কাহিনি। যেখানে মানব-মানবীর তথা ব্যক্তির সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গ, ঘৃণা-ভালোবাসা ইত্যাদি ঘটনা প্রাধান্য লাভ করে। উপন্যাসের প্লট বা আখ্যান হয় সুপরিকল্পিত ও সুবিন্যস্ত। প্লটের মধ্যে ঘটনা ও চরিত্রের ক্রিয়াকাণ্ডকে এমনভাবে বিন্যস্ত করা হয় যাতে তা বাস্তব জীবনকে প্র

নামাযের প্রয়োজনীয় দোয়া ও তাসবীহ সমূহ

জায়নামাযে দাঁড়ানোর দোয়া اِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ حَنِيْفًا وَّمَا اٰنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ- উচ্চারণ-ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজ্হিয়া লিল্লাযী ফাতারাস্ সামাওয়াতি ওয়াল আরদা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ছানা سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ- উচ্চারণ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বি-হামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তায়ালা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। রুকূর তাসবীহ سُبْحَانَ رَبِّىَ الْعَظِيْمِ উচ্চারণ- সুবহানা রাব্বিয়াল আযীম। অর্থাৎ- আমার মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করতছি। তাসমীহ سَمِعَ اللّٰهُ لِمَنْ حَمِدَهْ উচ্চারণ- সামি আল্লাহুলিমান হামিদাহ। অর্থাৎ- যে তাহার (আল্লাহর) প্রশংসা করে, আল্লাহ তাহা শুনেন। তাহমীদ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ উচ্চারণ- রাব্বানা লাকাল হামদ। অর্থাৎ- হে আমাদের প্রতিপালক, তুমি প্রশংসিত। সিজদার তাসবীহ سُبْحَانَ رَبِّىَ الْاَعْلٰى উচ্চারণ- সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা। অর্থাৎ- আমার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করতেছি। আত্তাহিয়্যাতু اَلتَّحِيّ