Skip to main content

গার্মেন্টস স্টক লট

রপ্তানী নির্ভর এ গার্মেন্টস শিল্পে বিভিন্ন সময়ে কিছু কিছু কারনে অনেক ফ্যাক্টরীতে শিপমেন্ট বাতিল হয়ে যায়। আর বাতিল হয়ে যাওয়া শিপমেন্টের সকল পন্যই হয়ে যায় স্টক। যে সকল কারনে গার্মেন্টস এ ষ্টক লটের সৃষ্টি হয় তার মধ্যে অন্যতম হল শিপমেন্ট ক্যানসেল, শিপমেন্ট ডিলে কন্টিনিয়াস রিচেক, এলসি সমস্যা ইত্যাদি।
কিছু কিছু সময় বায়ার বিভিন্ন অজুহাতে ইচ্ছাকৃত ভাবে শিপমেন্ট ক্যানসেল করে, যাতে করে সে নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও কম মূল্যে পন্যটি ক্রয় করতে পারে। মূলত কোন পন্য ষ্টক হয়ে গেলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে দাম কমে যায়। আর এ সুবিধা ভোগ করে বিভিন্ন মহল।
বর্তমানে বিদেশী বায়াররা ষ্টক লটের প্রতি খুব বেশি ঝুঁকে পরেছে। তার কারন কম মূল্যে গার্মেন্টস ষ্টক ক্রয় করতে পারে তারা।
ষ্টক লট বিভিন্ন সংখ্যার হতে পারে। হতে পারে শর্ট কোয়ান্টিটি ষ্টক লট অথবা লং কোয়ান্টিটি ষ্ট লট। সংখ্যার অনুপাতে এটা নির্ধারিত হয়ে থাকে।
তবে যাই হোক না কেন, এই খাতে বিনিয়োগ খুবই লাভজনক এবং কম ঝুকিপূর্ণ। প্রথমত এই পন্য পঁচে না, যত্ন নিলে নষ্টও হয় না। উপরন্তু এর চাহিদাও অত্যাধিক।
আপনি নতুন হয়ে থাকলে প্রথমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ দিয়ে আরম্ভ করতে পারেন এ ব্যবসা। এক থেকে লক্ষ টাকা থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার মধ্যে। আপনি শর্ট কোয়ান্টিটির ষ্টক ক্রয় করতে পারেন।
আবার আপনি শর্ট কোয়ান্টিটির ষ্টক ক্রয় করতে পারেন লং কোয়ান্টিটি পন্যেও। পন্যেরও কিছু অংশ ক্রয় করে, যদি সেই লট পার্শাল কোয়ান্টিটি সেল সাপোর্ট করে।
তবে আপনাকে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে ব্যান্ডের ষ্টক লট কিনতে হবে। তাহলে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে একটু বাড়তি সুবিধা আদায় করে নিতে পারেবেন। আর ব্যান্ডের পন্যটি ক্রয় করতে বায়ারও আগ্রহ বেশী পায় ।
ষ্টক লটের পন্য ক্রয় করতে সর্তকতার সাথে যোগাযোগ করতে হবে গার্মেন্টস গুলোর সাথে। তাদের সাথে সু সম্পর্ক বজায় রেখে আপনাকে সংগ্রহ করতে কখন তাদের পন্য ষ্টক হয়। পন্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই জেনে নিবেন পন্য কোন দেশের জন্য তৈরী করা হয়েছিল। কারন আপনার বাজারের সাথে সামজস্য রেখে আপনাকে পন্যটি বিক্রয় করতে হবে।
ষ্টকের পন্য ক্রয় করার পর আপনি বিক্রয় করতে পারবেন দেশ এবং বিদেশের বাজারে। কারন এ পন্যের বাজার চাহিদা একটু বেশীই। আর এ ব্যবসায় একটু সর্তকতার সাথে করতে পারলে আপনি খুব সহজেই হতে পারবেন সফল।

Comments

Popular Posts

নামাযের প্রয়োজনীয় দোয়া ও তাসবীহ সমূহ

জায়নামাযে দাঁড়ানোর দোয়া اِنِّىْ وَجَّهْتُ وَجْهِىَ لِلَّذِىْ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالْاَرْضِ حَنِيْفًا وَّمَا اٰنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ- উচ্চারণ-ইন্নি ওয়াজ্জা...

Dhaka Narayanganj Train Schedule 2025

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো — ১) মৌজা: গ্রাম ২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর ৩) ফর্দ: দলিলের পাতা ৪) খং: খতিয়ান ৫) সাবেক: আগের/পূর্বের ৬) হাল: বর্তমান ৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন) ৮) নিং: নিরক্ষর ৯) গং: অন্যান্য অংশীদার ১০) সাং: সাকিন/গ্রাম ১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা ১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি ১৩) এজমালি: যৌথ ১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক ১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল ১৬) বাস্তু: বসতভিটা ১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন ১৮) বায়া: বিক্রেতা ১৯) মং: মোট ২০) মবলক: মোট পরিমাণ ২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময় ২২) হিস্যা: অংশ ২৩) একুনে: যোগফল ২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ ২৫) চৌহদ্দি: সীমানা ২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ ২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ ২৮) নক্সা: মানচিত্র ২৯) পিং: পিতা ৩০) জং: স্বামী ৩১) দাগ নং: জমির নম্বর ৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে ৩৩) সমুদয়: সব কিছু ৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু ৩৫) পত্র মিদং: পত্রের ম...